Posts

Showing posts from July, 2026

ট্রেনে অতিরিক্ত লাগেজ নিয়ে ভ্রমণ: ভারতীয় রেলের ব্যাগেজ রুলস ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা

Image
ট্রেনে যাতায়াতের সময় আমরা প্রায় সবাই একটা সাধারণ সমস্যার মুখে পড়েছি—লাগেজ রাখার জায়গা না পাওয়া। বিশেষ করে স্লিপার বা ৩-টার্ড এসি (3AC) কোচে অনেক যাত্রীই পরিবারের বিশাল বিশাল ব্যাগ, বড় ট্রাঙ্ক কিংবা অতিরিক্ত ভারী মালপত্র নিয়ে উঠে পড়েন। ফলে সিটের নিচে বা আশেপাশে বিন্দুমাত্র হাঁটাচলার জায়গা থাকে না। নিজের একটি ছোট ব্যাগ রাখার জন্যও সহযাত্রীদের সঙ্গে তর্কাতর্কি কিংবা চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।  এই ভেতরের বিশৃঙ্খলা সামলাতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত আরো আরামদায়ক করতে ভারতীয় রেল এখন থেকে কোচে অতিরিক্ত মালপত্র তোলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। ব্যাগেজ লিমিট: কোন ক্লাসে কত কেজি সাথে রাখা যাবে? কোচের শ্রেণী (Class of Travel) অনুযায়ী বিনামূল্যে সর্বোচ্চ কত কেজি লাগেজ আপনি নিজের সাথে কামরায় নিতে পারবেন, তা নিচে দেওয়া হলো: ফার্স্ট এসি (First AC): সর্বোচ্চ ৭০ কেজি ফ্রি। সেকেন্ড এসি (Second AC): সর্বোচ্চ ৫০ কেজি ফ্রি। থার্ড এসি / চেয়ার কার (3AC / CC): সর্বোচ্চ ৪০ কেজি ফ্রি। স্লিপার ক্লাস (Sleeper Class): সর্বোচ্চ ৪০ কেজি ফ্রি। সাধারণ শ্রেণী (General / Second Class): সর্বোচ্চ ৩৫ কেজি ফ্রি। জরুরি...

গুরু পূর্ণিমাঃ কি করা উচিৎ , কি করা বারন - জেনে নিন

Image
  গুরু পূর্ণিমা ভারতীয় সংস্কৃতি ও সনাতন ধর্মের অন্যতম পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ উৎসব। এটি কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়; বরং গুরু ও শিষ্যের চিরন্তন, পবিত্র এবং আত্মিক সম্পর্কের এক অনন্য উদযাপন। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই শুভ উৎসব পালিত হয়। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনেই মহর্ষি বেদব্যাস জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি মহাভারত , চার বেদ সংকলন এবং অষ্টাদশ পুরাণের রচয়িতা। তাই গুরু পূর্ণিমা 'ব্যাস পূর্ণিমা' নামেও পরিচিত। আসুন জেনে নেওয়া যাক গুরু পূর্ণিমার প্রকৃত তাৎপর্য, এর উপকারিতা এবং এই দিনে কী করা উচিত ও কী করা উচিত নয়। গুরু পূর্ণিমা কী? ' গুরু ' শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক অর্থ। সংস্কৃত ভাষায় 'গু' অর্থ অন্ধকার বা অজ্ঞতা এবং 'রু' অর্থ আলো বা জ্ঞান। অর্থাৎ যিনি মানুষের জীবনের অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে জ্ঞান, সত্য ও আত্মউন্নতির পথে পরিচালিত করেন, তিনিই প্রকৃত গুরু। গুরু পূর্ণিমা হলো সেই পবিত্র দিন, যেদিন শিষ্যরা তাঁদের গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি ও কৃতজ্ঞতা নিবেদন করেন। তবে শুধু আধ্যাত্মিক গুরুই নন—পিতা-মাতা, শিক্ষক কিংবা জীবন...

সাপ্তাহিক রাশিফলঃ ২৭ জুলাই থেকে ২রা আগস্ট

Image
                      অভিজ্ঞ জ্যোতিষী দ্বারা প্রস্তুত ১২ রাশির বিস্তারিত সাপ্তাহিক রাশিফল । প্রতি রবিবার রাত ১২টায় 

দেবী বিপত্তারিণীর ইতিহাস ও পূজার মন্ত্র - অর্থ সহ

Image
 হিন্দু ধর্মে মা বিপত্তারিণী হলেন দেবী দুর্গারই একটি বিশেষ রূপ, যিনি ভক্তদের সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করেন। বিশেষ করে বাঙালি সনাতন স্বাবলম্বী নারীদের মধ্যে এই ব্রত পালনের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া (রথযাত্রা) থেকে দশমীর (উল্টো রথ) মধ্যে যেকোনো শনি বা মঙ্গলবার এই ব্রত পালন করা হয়। মা বিপত্তারিণীর পূজায় সাধারণত দুর্গাপূজার পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র এবং দেবী আদিশক্তির আরাধনার বৈদিক মন্ত্রসমূহ ব্যবহার করা হয়। নিচে মায়ের পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র এবং ব্রতের সুতো (তাগা) ধারণের বিশেষ মন্ত্র দেওয়া হলো: ১. পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র (তিনবার পাঠ করতে হয়) হাতে ফুল ও বেলপাতা নিয়ে ভক্তিভরে এই মন্ত্রটি উচ্চারণ করুন: ওঁ সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি নমোহস্তু তে।। উচ্চারণ অর্থ: হে দেবী, তুমি সর্বমঙ্গলের মঙ্গলস্বরূপা, কল্যাণদায়ী এবং সমস্ত পুরুষার্থ বা মনস্কামনা পূরণকারিণী। হে শরণদাত্রী, ত্রিনয়নী, গৌরী নারায়ণী, তোমাকে প্রণাম জানাই। ২. প্রণাম মন্ত্র পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার পর হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ করে মাকে প্রণাম করুন: নমঃ সৃষ্টিস্থিতিবিন...

সাপ্তাহিক রাশিফলঃ ২০ জুন থেকে ২৬শে জুন ২০২৬

Image
অভিজ্ঞ জ্যোতিষী দ্বারা প্রস্তুত ১২ রাশির বিস্তারিত সাপ্তাহিক রাশিফল ।

জীবদ্দশায় ছাপা হয়নি কোনো বই - আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য

Image
নেপালি সাহিত্যের আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য (১৮১৪-১৮৬৮) সাহিত্যিক অবদান ও জীবনকৃতি আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য: নেপালি ভাষার প্রাণপুরুষ ও তাঁর জীবনের কিছু অজানা অধ্যায় আজ আমরা এমন এক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে আলোচনা করব, যাঁকে ছাড়া নেপালি সাহিত্যের ইতিহাস সম্পূর্ণ অসম্ভব। তিনি আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য। ১৮১৪ সালের ১৩ জুলাই (মতান্তরে ২৯ আষাঢ়) তানাহু জেলার রামহাতে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে সাহিত্যের মূল ধারায় এনে এক ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।  ভানুভক্ত আচার্যের পিতার নাম ছিল  ধনঞ্জয় আচার্য  এবং মাতার নাম ছিল  ধর্মাগতী দেবী  (কারো মতে রূপাবতী দেবী)। তাঁর পিতা ধনঞ্জয় আচার্য একজন সরকারি কর্মচারী (সরকারি আমলা) ছিলেন। রামায়ণের সহজ অনুবাদ ও ভাষাগত ঐক্য ভানুভক্তের সবচেয়ে বড় কীর্তি হলো সংস্কৃত অধ্যাত্ম রামায়ণের নেপালি অনুবাদ। তাঁর সমসাময়িক যুগে সাহিত্য এবং ধর্মগ্রন্থ ছিল মূলত সংস্কৃত নির্ভর, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ভানুভক্ত প্রথমবার ললিত এবং সহজ নেপালি ছন্দে রামের গল্প সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন। তাঁর এই কাজের ফলে নেপালি ভাষা একটি শক্তিশালী রূপ ...

সাপ্তাহিক রাশিফলঃ ১৩ই জুলাই থেকে ১৯শে জুলাই ২০২৬

Image
                     অভিজ্ঞ জ্যোতিষী দ্বারা প্রস্তুত ১২ রাশির বিস্তারিত সাপ্তাহিক রাশিফল । প্রতি রবিবার রাত ১২টায় 

ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর জীবনী ও আজনা তথ্য - জেনে নিন

Image
 ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়: সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি (১৮০১–১৯৫৩) ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯০১ সালের ৬ই জুলাই কলকাতায় এক অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত ও বিদ্যানুরাগী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন বাংলার বাঘ নামে পরিচিত বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এবং মাতা যোগমায়া দেবী। পারিবারিক পরিবেশেই তাঁর শিক্ষার শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। ১৯২১ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে বি.এ পাস করেন। এরপর ১৯২৩ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন—সে বছরও তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯২৪ সালে পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর তিনি আইন শিক্ষায় মন দেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯২৬ সালে তিনি ইংল্যান্ডে যান এবং 'লিংকনস ইন' (Lincoln's Inn) থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯২২ সালে তিনি সুধা দেবীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের চার সন্তান ছিল। কিন্তু মাত্র ১১ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ১৯৩৩ সালে সুধা দেবীর অকাল প্রয়াণ ঘটে। মাত্র ৩২ বছর বয়সে স্ত্রীবিয়োগের পর শ্...